সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পিচ্চি বউ - পর্ব ২৯

 আমি জেরিনকে বললাম, আবারো তুমি প্যন্টে হিসু করে দিয়েছো? 


জেরিন ঘুমঘুম চোখে বলল, এটা হিসু না। লাইট অন করেন।


আমি লাইট অন করলাম। আর অবাক হয়ে তার সাদা পাজামার দিকে তাকালাম। তার সাদা পাজামা পুরো লাল হয়ে আছে। আমার  আন্ডারওয়ারেও কিছু লাল দাগ লেগেছে। 



আমি ভয়ে আতংকিত হয়ে জেরিনের গালে দুহাত হাত রেখে  বললাম , ও মাই গড। তোমার রক্ত বের হচ্ছে কেন?


জেরিন বলল, এমন নাটক করতাসেন কেন? ড্রয়ার থেকে প্যাড এনে দেন। 


আমি ড্রয়ার থেকে প্যাড এনে দিলাম। 


আমি বললাম, তোমার কি কোথাও কেটে গেছে। না হলে রক্ত বের হচ্ছে কেন?


জেরিন রেগে বলল, ফাজিল কোথাকার বুঝেন না আমার পিরিয়ড হচ্ছে।


এই কথা শুনে আমি জেরিনকে জড়িয়ে ধরলাম। তারপর কানে কানে বললাম, তোমার কি খুব কষ্ট হচ্ছে? পেট ব্যথা করছে? 

<amp-auto-ads type="adsense"

        data-ad-client="ca-pub-9645388120151436">

</amp-auto-ads>

এদিকে জেরিন দেখি খুব নরমাল আছে। যেন কিছুই হচ্ছে না তার। ইরা যখন বলেছিল তার মিন্স হচ্ছে। তখনই ইন্টারনেটে সার্চ দিয়েছিলাম যে মিন্স হলে মেয়েদের কেমন ফিল হয়। সেখানে পড়লাম মিন্স হলে মেয়েেদর মনে হয়ে কে যেন চাকু দিয়ে তার পেটে ছুড়ি চালাচ্ছে। পড়েই ভয় পেয়ে গেলাম। এতো কষ্ট মেয়েরা কিভাবে সহ্য করে কে জানে? আমি তো ২টা চাকুর কোপ খেয়ে ২দিন অজ্ঞান ছিলাম। মিন্স হলে নাকি কাপড় গরম ভাব করে পেটে ওপর ছ্যকা দিলে আরাম লাগে। ভাবতেছি জেরিনকেও এভাবে ট্রিটমেন্ট দিব। 


অনেকদিন হলো ইরার কোন যোগাযোগ নাই। আমি ইরাকে কল দিলাম। ফোন অফ বলছে। কি ব্যপার? 


ফেসবুকে ভার্সিটি গ্রুপে মেসেজ দিলাম যে কেউ কি ইরার খবর জানো?

কিছুক্ষণ পর রুপা নামের এক মেয়ে বলছো,  ভাইয়া পারসোনাল কথা আছে ইনবক্সে আসেন।


প্রফাইল চেক করে দেখলাম রুপা আমাদের ই ভার্সিটিতে পড়ে ইরার সাথে কয়েকটা ছবি দেখলাম। তার মানে সে ইরার বান্ধবী। তবে তাকে আগে কখনও দেখেছি বলে তো মনে পড়ছে না।  রুপার আইডিতে দেখলাম বিটিএস কে ফলো দেওয়া। মানে সে বিটিএস দের ভিডিও দেখে। তারপর দেখলাম সাইকলোজি গ্রুপেও তার এড আছে। তার মানে ওর মানুষের মনের প্রতি আগ্রহ আছে। ধরে নেওয়া যাক সে মানুষকে কন্ট্রোল করার সাইকলোজি ও জানে। আরো দেখলাম মেকআপ গ্রুপে এসে লাইক দিয়েছে। এটা প্রায় মেয়েরা এসব গ্রুপে লাইক দেয়। তো এটা দেখে তেমন কিছু অনুমান করা যাবে না। এসব দেখে চ্যটজিপিকে বললাম তার পছন্দের জিনিস দেখে এনালাইসিস করে বলো সে কেমন টাইপের মেয়ে। চ্যাটজিপিটি আমাকে এনালাইসিস করে সব বলে দিল। আমি মনে মনে বললাম, ইয়েস।  কারো সাথে কথা বলার আগে সবসময় তার ব্যপারে খোজ খবর নিয়ে রাখি। কারন সবসময় আমি একধাপ এগিয়ে থাকতে চাই।


রুপা মেসেন্জারে কল দিয়ে দিল। আমি কল ধরলাম। 


রুপা বলল, কেমন আছেন ভাইয়া?


আমার মন কেন জানি রুপাকে সন্দেহ হচ্ছে। এই মেয়ে কি চায় আমার কাছে?


আমি বললাম, ইরার কোন খবর জানেন?


রুপা বলল, হ্যা। ভাইয়া ও তো লন্ডন চলে গেছে ওর বাবা মায়ের সাথে সেখানে পড়াশোনা করবে।


আমি বললাম, হঠাৎ কাউকে কিছু না বলে লন্ডন চলে গেল।


রুপা বলল, ও এমনই। কাউকে কিছু বলে না। আচ্ছা। ভাইয়া আপনি ভার্সিটি আসেন না কেন? 


আমি বললাম, ভালোলাগে না। 

<amp-auto-ads type="adsense"

        data-ad-client="ca-pub-9645388120151436">

</amp-auto-ads>

রুপা বলল, ভার্সিটি আসলে আমার সাথে চা খাবেন? আপনার সাথে গল্প করার খুব ইচ্ছা।


আমার সন্দেহ আরো বেড়ে গেল। এই মেয়ে কি ইন্ডাইরেক্টলি প্রেমের অফার করছে আমাকে? এই মেয়ে কি চায়?


আমি বললাম, ঠিক আছে আপনার নাম্বার দেন আগামীকাল রেস্টুরেন্টে মিট করি বিকেল ৫টায়।


কথাটা বলে ফোন কেটে দিলাম।তারপর একটা সিগারেট ধরালাম। বারান্দায় দেখি মশা কামড়াচ্ছে। ঠান্ডা মাথায় আমাকে ভাবতে হবে এই কয়দিনে কি হয়েছে তা আমি জানি না। 


হঠাৎ টুইং করে নোটিফিকেশন বেজে উঠলো। দেখলাম এক ভার্সিটি ফ্রেন্ড নক দিয়ে বলল, দোস্ত। গ্রুপে তোর মেসেজ দেখলাম তাই সরাসরি ইনবক্সে নক দিলাম। ইরা তো সুইসাইড করেছে। ভার্সিটি তে পুলিশ এসেছিল। আমাদের কাছ থেকে জিজ্ঞেস করেছিল ইরার ব্যপারে আমরা বলেছি কিছু জানি না। বাট ভার্সিটির সবাই জানে তুই ইরার সাথে প্রেম কর করিস। এটা বললে পুলিশ তোকে সন্দেহ করবে হ্যরেসমেন্ট করবে। তাই তাদের কিছু বলিনি৷ আর রুপা নামের এক মেয়ে তোকে খুজছিল। কেন খুজছে জানি না।


আমার ক্যাস সলভ করার চেষ্টা করলাম। আমার থিওরী ডাইরীতে লিখলাম। যদি ইরা সুইসাইড এর পর রুপা তার ফ্রেন্ড কথা বলতে চায় বা প্রেম করতে চায়। তার মানে রুপার বড় কোন পরিকল্পনা আছে। আর রুপা কেন এতো বড় বিষয়টা লুকালো আমার কাছ থেকে যে ইরা মারা গেছে? এই রহস্যের জট খুলতে হবে। আর রুপার মোটিভ কি সেটা বের করতে হবে। দরকার হলে সে কি প্রেমের নাটক করবে? আমি ই তার সাথে প্রেমের নাটক করে তার থেকে সব তথ্য জানবো। কারন জয় সবসময় একধাপ এগিয়ে চলে। রুপা তুমি আমার নেক্সট টার্গেট।


এদিকে রুপার দৃষ্টিভঙ্গি বা মনে কি চলছে তা পাঠকদের জানিয়ে দেই গল্পের সুবিধার জন্য।


রুপা একজন বুদ্ধিমান মেয়ে। সে বুঝে গেছে যে ইরার মৃত্যুর পেছনে জয়ের ই হাত। কারন ইরা তাকে মেসেজ করেছিল সে প্রেগন্যান্ট আর সবাই জানে যে সে জয়কে ভালোবাসতো। আর ইরা যখন রুপার কাছ থেকে জানতে পারে যে জয়ের বউ আছে। তখনই ইরা সুইসাইড করে। কেসটা বাইরের দিক দিয়ে সুইসাইড হলেও আসলে এটা একটা খুন। 


রুপা চাইলেই পুলিশকে সব বলতে পারতো মেসেজও দেখাতো পারতো। তবে তার পুলিশের ওপর বা আইনের ওপর ভরসা নাই। জয়ের বাবা ধনী। জয়কে পুলিশে নিলে জয়ের বাবা ২দিনে তার ছেলেকে ভালো উকিল দিয়ে বের করে আনবে। কারন জয় সিস্টেমের বাইরে গেম খেলে। তাই জয়কে সিস্টেম এর বাইরের শাস্তি দিতে হবে।


সেই শাস্তি দেওয়ার জন্যই রুপা জয়কে বলে কফি সপে দেখা করতে যাবে। রুপা এখন ইরা সুইসাইড এর প্রতিশোধ নিবে। জয়ের সংসার ধ্বংস করে দিবে। জয়কে ভেঙ্গে দিবে সে। এসব ভাবতেই রুপা স্ট্রোবেরী নামের চিকন সিগারেট ধরায়। 


এদিকে জয়ও সিগারেট টানছে বারান্দায়। সেও বুঝে গেছে রুপার প্লান কী। এবার খেলা হবে। ২জন বুদ্ধিমান লোকের খেলা। এটা মারামারি না। এটা ডাবা খেলা বুদ্ধির খেলা। 


রুপা কি তাহলে বাঘকে শিকার করতে নিজে আহত হয়ে যাবে?


<amp-auto-ads type="adsense"

        data-ad-client="ca-pub-9645388120151436">

</amp-auto-ads>

এদিকে চলো ইকবাল মামাদের দৃশ্য ও কাহিনী কি? তা জেনে নেওয়া যাক।


আস্তানায় বসে কাপড় দিয়ে পিস্তল পরিষ্কার করছে খোকা। তার সামনে বসে আছে সৈকত। 


খোকা বলল, এখন তো তোমার বাবাকে পাওয়া গেছে আর তুমি সাসপেক্ট পুলিশের কাছে যেকোন সময় দেখলেই গুলি করবে। এককাজ করো আমি জাল পাসপোর্ট ও ভিসা বানাইসি। তোমরা ইন্ডিয়া চইলা যাও।


সৈকত বলল, কথা খারাপ বলেন নাই। তবে বাবার যে মাথার সমস্যা এখনও ঠিক হয়নি।


খোকা চিন্তিত হয়ে বলল, তোমার বাবা এখন কোথায়?


এদিকে ইকবাল মিয়া ১ঘন্টা ধরে বাথরুমে বসে ধ্যান করছেন। ইকবাল মনে মনে বলছে, আমি কে?  কোথাথেকে আসলাম আবার কোথায় চলে যাব? হই বউ ছাড়িয়া বিদেশ গেলে পাইবা না রে পাইবা না।


সৈকত বাথরুমে টোকা দিতেই ইকবাল বেরিয়ে এলো। সৈকতের পাশে খোকা দাড়ানো। 


সৈকত বলল, বাবা বাথরুমে বসে কি করছিলে?


ইকবাল বলল, ধ্যান করছিলাম। আমি কবরে ছিলাম। সেখান থেকে আমাকে আকাশে উঠানো হয়েছিল আমি চাচার সাথে দেখা করে আবার ফিরে আসছি পৃথিবীতে উনি আমাকে ২য় জীবন দিয়েছি।


সৈকত অবাক হয়ে বলল, এই চাচাটা কে?


ইকবাল গান গেয়ে উঠলো, চাচাই আমার সব, চাচাই আমার মন। চাচাকে না পেলে করব আমি তচনচ। 


খোকা সৈকতের কানে কানে বলল, কবর থেকে উঠে উনার মাথা গেসে।


সেই কথা ইকবাল শুনে গম্ভীর হয়ে বলে, খোকা কানে কানে কথা বলা ফিসফিস করা আমার পছন্দ না। আমি মনের কথা শুনতে পারি। তুমি আমার নামে বাজে কথা বলেছো আমি সেটা শুনে ফেলেছি। তাও আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিলাম। যাও।

<amp-auto-ads type="adsense"

        data-ad-client="ca-pub-9645388120151436">

</amp-auto-ads>

সৈকত বলল, বাবা তুমি কি মহাপুরুষ হয়ে গেলে নাকি?


ইকবাল গম্ভীর হয়ে বললেন, হ্যা আমি বাথরুম বাবা। আমি সেখানে ধ্যান করি। জয় বাথরুম বাবার জয়। নে আমার পা ধরে আশীর্বাদ নে।


সৈকত পা ধরে সালাম করলো। কিন্তু খোকা পা ধরলো না। 


ইকবাল রেগে গিয়ে বললেন, তুই খোকা ইবলিশ তোর অহংকার বেশি। তুই জাহান্নামে যাবি। 


খোকা তার চামচাদের ইশারা দিল। খোকার চামচারা ইকবাল মিয়াকে একটা ধরে নিয়ে আটকে রাখলো।


ইকবাল মিয়া সেই বন্ধ ঘরে ধ্যন করছে। ইকবাল বলসে, ওম নম নম শিবাহ। বেদ বেদয়াং নম। হরে কিষ্ণ।আমায় মুক্ত করো। কায়ফা হালুকা। কেমন আছেন। নট ফাইন। ভালো নাই। 


সৈকতের চোখে পানি এসে পড়লো তার বাবার এসব কান্ডকারখানা দেখে। 


<amp-auto-ads type="adsense"

        data-ad-client="ca-pub-9645388120151436">

</amp-auto-ads>


(নেক্সট পর্ব পড়তে ফলো দিয়ে রাখেন আইডিতে। যাতে গল্প আসলে সবার আগে আপনি পান।) 


গল্প: পিচ্চি বউ

পর্ব : ২৯

লেখক: রুদ্র সিয়াম

#রুদ্র_সিয়াম

মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

খালাতো বোনের সাথে প্রেম / রোমান্টিক প্রেমের গল্প / Rudro Siyam

মা যখন বললেন যে আমার বিয়ে হবে আমার খালাতো বোনের সাথে। সে কথা শুনেই আমি ভয়ে বাসে করে কক্সবাজার চলে আসলাম। এখানে একটি হোটেলে উঠেছি নিজেকে লুকিয়ে রাখার জন্য।  আমাকে পেলেই মা-খালা মিলে বিয়ে দিয়ে দিবে। তাই কয়েকদিন লুকিয়ে থাকি। যখন সুরভীর বিয়ে হয়ে যাবে। তখন আমি আবার বাড়ি চলে যাবো। হ্যা! সুরভী ই আমার খালাতো বোনের নাম। এবার ক্লাস টেনে উঠেছে আর তাকে বিয়ে দিয়ে আমার ঘাড়ে চাপানোর প্লান করছে আমার মা আর খালা।  হোটেল রুমে ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ কলিংবেলের শব্দে তড়াক করে উঠে। দরজা খুলতেই দেখি একটা ফুলের তোড়া হাতে কে যেন দাড়িয়ে আছে। ফুলটার গন্ধ নিতেই আমি অজ্ঞান হয়ে গেলাম। জ্ঞান ফিরলে দেখি আমার হাত,পা বাধা করে আমাকে গাড়িতে করে কোথায়ও যেন নিজে যাওয়া হচ্ছে। তার মানে কি আমাকে কিডন্যাপ করা হয়েছে। গাড়ি যে চালাচ্ছে। সে রাকিব। আমার বন্ধু! রাকিব: দোস্ত! টেনসন করিস না! লাইফে একবার না। একবার তো বিয়ে করতেই হবে। বিয়ে থেকে পালালে হবে?  আমাদের ধর্মে তো বিয়ে করা ফরজ। তাহলে তুই পালিয়ে বেড়াচ্ছিছ কেন? আমি: তুই কিভাবে জানলি যে আমি কক্সবাজারের হোটেলে আছি? তোকে কে খবর দিল? রাকিব: আরে! বেটা! এখন ইন্টারনেটের যুগ। তুই...

প্লেবয় লাভ স্টোরী) রোমান্টিক প্রেমের গল্প/ রুদ্র সিয়াম

শামীম: রুদ্র। তুই একটা প্লেবয়। তুই এতো মেয়েকে কিভাবে পটিয়ে ফেলিস বুঝি না। যেখানে আমাকে কোন মেয়েই পাট্টা দেয় না। দোস্ত। মেয়ে পটানোর টিপস গুলো আমাকে একটু বল। আমিও তোর মতো প্লে বয় হতে চাই। আমি মোবাইলের স্ক্রিন থেকে চোখ সড়িয়ে তাকালাম শামীমের দিকে। বেচারা এতোবার রিজেক্ট খেয়েছে। এখন আমার কাছ থেকে মেয়ে পটানো শিখতে চায়। আমি: দেখ একটা মেয়ের পেছনে কম হলেও ৪/৫ টা ছেলে ঘোরে। এখন যদি তুইও ঘুরিস। তাহলে সেই ৪টা ছেলে আর তোর মধ্যে কি তফাত থাকলো? তোকে হতে হবে স্পেশাল। তাহলেই দেখবি মেয়েরা তোর প্রতি আগ্রহ দেখাবে আর তোর পেছন পেছন ঘুরবে। বুঝলি? শামীম: আচ্ছা। চেষ্টা করে দেখব। আর কোন টিপস নাই।  আমি: মেয়েদের পাট্টা দিবি না। তাহলে মেয়েরা তোকে পাট্টা দিবে। যত সুন্দর মেয়েই হোক। এমন ভান করবি তোর সামনে কিছুই না। শামীম: কিন্তু আমার তো মেয়েদের সামনে গেলেই হাত পা কাপে। আর টয়লেট লাগে বার বার।  আমি: এরকম হলে তুই কখনই মেয়ে পটাতে পারবি না। আজীবন সিঙেল ই থাকবি। এরকম সময় আমাকে সুনেরাহ কল দিল। আমি কল রিসিভ করলাম। আমি: (ধমক দিয়ে) এই সময়ে কল দিয়েছো কেন? জানো না আমি ব্যস্ত থাকি। তোমাকে বলেছি রাত ১২ টার পর কল দিবা। কত ম...