সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

মাইনকার চিপায়

 আমি মাইমুনার গালে চুমু দিলাম।


সিএনজি ওয়ালা দেখি বার বার পেছনে তাকাচ্ছেন।


আমি বললাম, আরে মামা। কোন পাটক্ষেত থাকলে সেখানে নিয়ে চলো। আজ খেলা হবে।


মাইমুনা দেখলাম চুপ করে আছে। কেমন ভয় পেয়ে শক্ত হয়ে আছে। কোন কথা বলছে না।


আমি বললাম, এবার আমি ঠোটে চুমু খাবো।


কথাটা বলেই যখন ঠোঁটে চুমু খেতে যাবো। তখনই সিএনজি থেমে গেল।


আমি বললাম, কি হলো মামা। সিএনজি থামাইলা কেন?


সিএনজি ওয়ালা এবার পেছনে ঘুরে তাকালো।


সিএনজি ওয়ালা: এই মেয়ে তোমার কি হয়?


আমি: আমার খালাতো বোন। (মিথ্যা বললাম। এসব জায়গায় মিথ্যা বলতে হয়। উনি যদি ঝামেলা করেন। তাহলে আমার ফুপুকে ফোন দিব। বলবো, খালা আপনার মেয়ে আমার কাছে সেফ আছে। সবকিছুই আমার প্লান মতো। এখানে আমার ফুপুকে ওর মা বানাবো। ঝামেলা হলে ফুপু এসে ছাড়িয়ে নিয়ে যাবে।)  


সিএনজি ওয়ালা সিএনজি থেকে নেমেই মাইমুনাকে চড় দিল।


আমি অবাক হয়ে গেলাম। 


আমি রেগে উনাকে বললাম, আপনি ওকে চড় মারলেন কেন?


তারপর সিএনজি ওয়ালা যা বললো। তা শুনে আমি তো অবাক। আমি ওনার সাথে কি গেম খেলবো। উনি ই আমার সাথে গেম খেললো এতোক্ষন।


সিএনজি ওয়ালা : এটা আমার মেয়ে।


কথাটা শুনার পর আমার প্যন্ট ভিজে গেল কেন? বুঝলাম না। 


আমি বললাম, আংকেল আসতেছি।


সিএনজি ওয়ালা আমার শার্ট চেপে ধরলো। আমি শার্ট খুলেই দৌড় মারলাম। এবার উনি দৌড়ে এসে আমার প্যন্ট চেপে ধরলো। আমার সেটাও খুলে দৌড় দিলাম। মুক্ত বাতাসে দৌড়ালাম, দৌড়ালাম,দৌড়ালাম। 


পরে বাসায় এসে শুনি ঢাকায় নাকি এক ছিনতাই কারী আসছে, যে মেয়েকে দিয়ে প্রেম করিয়ে দুরে নিয়ে গেয়ে ছিনটাই করে।


যাক! অনেক বাচা বাচলাম।


(সমাপ্ত)



মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

পিচ্চি বউ - পর্ব ২৯

 আমি জেরিনকে বললাম, আবারো তুমি প্যন্টে হিসু করে দিয়েছো?  জেরিন ঘুমঘুম চোখে বলল, এটা হিসু না। লাইট অন করেন। আমি লাইট অন করলাম। আর অবাক হয়ে তার সাদা পাজামার দিকে তাকালাম। তার সাদা পাজামা পুরো লাল হয়ে আছে। আমার  আন্ডারওয়ারেও কিছু লাল দাগ লেগেছে।  আমি ভয়ে আতংকিত হয়ে জেরিনের গালে দুহাত হাত রেখে  বললাম , ও মাই গড। তোমার রক্ত বের হচ্ছে কেন? জেরিন বলল, এমন নাটক করতাসেন কেন? ড্রয়ার থেকে প্যাড এনে দেন।  আমি ড্রয়ার থেকে প্যাড এনে দিলাম।  আমি বললাম, তোমার কি কোথাও কেটে গেছে। না হলে রক্ত বের হচ্ছে কেন? জেরিন রেগে বলল, ফাজিল কোথাকার বুঝেন না আমার পিরিয়ড হচ্ছে। এই কথা শুনে আমি জেরিনকে জড়িয়ে ধরলাম। তারপর কানে কানে বললাম, তোমার কি খুব কষ্ট হচ্ছে? পেট ব্যথা করছে?  <amp-auto-ads type="adsense"         data-ad-client="ca-pub-9645388120151436"> </amp-auto-ads> এদিকে জেরিন দেখি খুব নরমাল আছে। যেন কিছুই হচ্ছে না তার। ইরা যখন বলেছিল তার মিন্স হচ্ছে। তখনই ইন্টারনেটে সার্চ দিয়েছিলাম যে মিন্স হলে মেয়েদের কেমন ফিল হয়। সেখানে পড়লাম মিন্স হলে মে...

খালাতো বোনের সাথে প্রেম / রোমান্টিক প্রেমের গল্প / Rudro Siyam

মা যখন বললেন যে আমার বিয়ে হবে আমার খালাতো বোনের সাথে। সে কথা শুনেই আমি ভয়ে বাসে করে কক্সবাজার চলে আসলাম। এখানে একটি হোটেলে উঠেছি নিজেকে লুকিয়ে রাখার জন্য।  আমাকে পেলেই মা-খালা মিলে বিয়ে দিয়ে দিবে। তাই কয়েকদিন লুকিয়ে থাকি। যখন সুরভীর বিয়ে হয়ে যাবে। তখন আমি আবার বাড়ি চলে যাবো। হ্যা! সুরভী ই আমার খালাতো বোনের নাম। এবার ক্লাস টেনে উঠেছে আর তাকে বিয়ে দিয়ে আমার ঘাড়ে চাপানোর প্লান করছে আমার মা আর খালা।  হোটেল রুমে ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ কলিংবেলের শব্দে তড়াক করে উঠে। দরজা খুলতেই দেখি একটা ফুলের তোড়া হাতে কে যেন দাড়িয়ে আছে। ফুলটার গন্ধ নিতেই আমি অজ্ঞান হয়ে গেলাম। জ্ঞান ফিরলে দেখি আমার হাত,পা বাধা করে আমাকে গাড়িতে করে কোথায়ও যেন নিজে যাওয়া হচ্ছে। তার মানে কি আমাকে কিডন্যাপ করা হয়েছে। গাড়ি যে চালাচ্ছে। সে রাকিব। আমার বন্ধু! রাকিব: দোস্ত! টেনসন করিস না! লাইফে একবার না। একবার তো বিয়ে করতেই হবে। বিয়ে থেকে পালালে হবে?  আমাদের ধর্মে তো বিয়ে করা ফরজ। তাহলে তুই পালিয়ে বেড়াচ্ছিছ কেন? আমি: তুই কিভাবে জানলি যে আমি কক্সবাজারের হোটেলে আছি? তোকে কে খবর দিল? রাকিব: আরে! বেটা! এখন ইন্টারনেটের যুগ। তুই...

প্লেবয় লাভ স্টোরী) রোমান্টিক প্রেমের গল্প/ রুদ্র সিয়াম

শামীম: রুদ্র। তুই একটা প্লেবয়। তুই এতো মেয়েকে কিভাবে পটিয়ে ফেলিস বুঝি না। যেখানে আমাকে কোন মেয়েই পাট্টা দেয় না। দোস্ত। মেয়ে পটানোর টিপস গুলো আমাকে একটু বল। আমিও তোর মতো প্লে বয় হতে চাই। আমি মোবাইলের স্ক্রিন থেকে চোখ সড়িয়ে তাকালাম শামীমের দিকে। বেচারা এতোবার রিজেক্ট খেয়েছে। এখন আমার কাছ থেকে মেয়ে পটানো শিখতে চায়। আমি: দেখ একটা মেয়ের পেছনে কম হলেও ৪/৫ টা ছেলে ঘোরে। এখন যদি তুইও ঘুরিস। তাহলে সেই ৪টা ছেলে আর তোর মধ্যে কি তফাত থাকলো? তোকে হতে হবে স্পেশাল। তাহলেই দেখবি মেয়েরা তোর প্রতি আগ্রহ দেখাবে আর তোর পেছন পেছন ঘুরবে। বুঝলি? শামীম: আচ্ছা। চেষ্টা করে দেখব। আর কোন টিপস নাই।  আমি: মেয়েদের পাট্টা দিবি না। তাহলে মেয়েরা তোকে পাট্টা দিবে। যত সুন্দর মেয়েই হোক। এমন ভান করবি তোর সামনে কিছুই না। শামীম: কিন্তু আমার তো মেয়েদের সামনে গেলেই হাত পা কাপে। আর টয়লেট লাগে বার বার।  আমি: এরকম হলে তুই কখনই মেয়ে পটাতে পারবি না। আজীবন সিঙেল ই থাকবি। এরকম সময় আমাকে সুনেরাহ কল দিল। আমি কল রিসিভ করলাম। আমি: (ধমক দিয়ে) এই সময়ে কল দিয়েছো কেন? জানো না আমি ব্যস্ত থাকি। তোমাকে বলেছি রাত ১২ টার পর কল দিবা। কত ম...