শামীমকে নিয়ে যত গল্প কথা - রুদ্র সিয়াম
গল্প: ১
ছোটগল্প: ডায়রিয়া
শামীম: দোস্ত! তুই মরার আগে আমার টাকা টা দিয়ে যা৷ একমাস যে বিড়ি খাওয়ার জন্য ৫ টাকা নিসিলি। ওইটা তো এখনও দিলি না।
রনি: মরে গেলে ভিক্ষুক মনে করে মাফ করে দিস।
এমন সময় সেখানে সিফাত আসলো। খালাতো ভাই।
সিফাত: ভাই। তুমি মরলে তোমার জায়গা+ নানী আমার হবে।
রনি: আরে ভাই একটু শান্তিতে মরতে দে।
এমন সময় সেখানে আসলো রনির গার্লফ্রেন্ড।
গার্লফ্রেন্ড : তুমি তো মরে যাচ্ছো। এদিকে আমার বিয়ে ঠিক হইসে কাজিনের সাথে। আফসোস বিয়েটা না খেয়েই মারা যাচ্ছো।
রনি কাশলো। আর একটা পাদ দিলো।
গার্লফ্রেন্ড : উহু। পাদ দিয়েছে কে?
রনি: আমি দেই নি। মনে হয় শামীম দিয়েছে।
শামীম: দোস্ত। তুই মরার আগে আমার টাকাটা দে। কারো কাছে ঋণী থাকিস না।
রনি: আমার কিছু জমানো টাকা আছে সুইসব্যাংকে। সেখান থেকে নিয়ে নিস।
শামীম: কি সত্যি। সুইস ব্যাংকের নাম্বার টা বল।
রনি: ওই যে দেখ একটা মাটির ব্যাংক ওটার গায়ে লেখা সুইস ব্যাংক।
শামীম ব্যাংক ভেঙে দেখে ২টাকার একটা কয়েন।
শামীম: দোস্ত। আর ৩টাকা কে ফেরত দিবে।
এমন সেখানে ডক্টর আসলো।
রনি: ডক্টর আমি মরি না কেন?
ডক্টর: তোমার তো ডায়রিয়া হয়েছে। তুমি কেন মরবা?
শামীম: 🙄
গার্লফ্রেন্ড : 🤧
সিফাত :🙂
( সমাপ্ত)
গল্প: ০২
মামা! কট খাইসি।
আমি: স্যারকে ফোন দিয়ে বল আমি অসুস্থ। আজকে কলেজ যেতে পারব না। বুঝলি শামীম?
শামীম: ওকে দোস্ত!
শামীম স্যারকে কল দিল।
শামীম : হ্যালো স্যার! আমি অসুস্থ আজকে কলেজ যেতে পারব না।
আমি: আরে তুই না সালা। আমি অসুস্থ।
শামীম: আরে তুই না সালা। আমি অসুস্থ।
স্যার: কি সব আজেবাজে কথা বলছো? আমি তো তোমার সালা লাগি? ফাজলামি করার জায়গা পাও না?
আমি: তোরে কইলাম কি কইতে আর তুই বললি টা কি?
শামীম: তোরে কইলাম কি কইতে আর তুই বললি টা কি?
স্যার: তুমি কি কিছু খেয়েছো? এসব আবল তাবোল কি বলো?
আমি: বল রুদ্র অসুস্থ। কলেজ যেতে পারবে না।
শামীম: রুদ্র কলেজে। আমি অসুস্থ।
আমি: সালা। তুই অসুস্থ না। আমি অসুস্থ।
শামীম: স্যার আপনি বলে অসুস্থ। তাই রুদ্র কলেজ যাবে না।
আমি: থাপ্পড় খাবি? শামীম। এসব কি আবোল তাবোল বলোস।
শামীম: স্যার। রুদ্র অসুস্থ। আমি কলেজ যাবো না।
আমি: আরে। ভাই প্লিজ ফাজলামি করিস না। ভালোভাবে বল।
শামীম: স্যার। রুদ্র ফাজলামি করে কলেজে। কলেজের মাইয়া নিয়া পালাইসে।
আমি: আমার ব#ল। আমি আবার কোন মেয়ে নিয়ে পালাইলাম।
শামীম: স্যার। হ্যালো স্যার। রুদ্র অসুস্থ আজ কলেজ যাবে না।
আমি: আরে কি কস? ( কিছুক্ষণ পর বুঝলাম এবার ঠিক কথা বলছে 🙂)
ফোনের ওপাশ থেকে স্যার বলল, আমি তো স্যার না। আমি রুদ্রের বান্ধুবীর বাবা বলছি।😠
শামীম: 🥲
আমি: 🥲
( সমাপ্ত)
গল্প: ০৩
শামীমের টুনটুনি
শামীম রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ এক হিজড়া এসে তার সামনে দাড়ায়। হাত তালি দিয়ে হিজড়াটা শামীমকে বলে, টাকা দে। নইলে তোর টুনটুনি টিপে দিবো।
শামীম শান্তস্বরে বলে, টিপলে টিপেন। তবে আস্তে টিপবেন। যাতে ব্যথা না পাই।
হিজড়া টা শামীমের কথা শুনে অবাক। এবার হিজড়াটা বলল, টাকা না দিলে আমি কাপড় খুলে ফেলল নিজের। দেখবি আমার টুনটুনি?
শামীম এবারো শান্তভাবে বলল, দেখা তোর টুনটুনি 🤧 দেখি কালা নাকি সাদা 🤧
এটা শুনে হিজড়াটা দৌড় দিল। 😆
( সমাপ্ত)
গল্প: ০৪
শামীমের বিয়া
শামীম: মেয়ে তো মাশাআল্লাহ সুন্দর। তবে আপনাদের ছেলে পছন্দ হবে কিনা বুঝতে পারছি না।
মেয়ের বাবা: ছেলেটা কে দেখি?
শামীম: আমি ই সেই ছেলে।
মেয়ের ছোট ভাই: তোর মতো টাকলা, বুড়া ব্যাটার লগে কে বিয়া দিব আমার সুন্দর বইনটারে।
শামীম: টাকলা বলে কি আমি বিয়ে করতে পারব না।
মেয়ের বাবা: এই টাকলু বুইড়াকে পাছায় লাথি দিয়ে বের করব।
মেয়ের ছোটভাই: অবশ্যই বাবা।
কথাটা বলে যখন ই শামীমের পাছায় লাথি দিতে যাবে। তখনই এন্ট্রি হয় নাইকা আঁখির।
আখি: বাবা। আমি ওকেই বিয়ে করব। ও টাকলা মানে ওর অনেক টাকা।
মেয়ের বাব: বলিস কি? এভাবে তো ভেবে দেখিনি।
------++++++----------
শামীম: এভাবেই দোস্ত, আমার বিয়ে হয়ে গেল৷ তুই এই গল্পটা সারা জগৎ কে জানিয়ে দিস।
কথাটা বলে শামীম বুড়িগঙ্গা নদীতে লাফ দিল।
গল্প: ০৫
শামীম বদলে গেছে
শামীম আর ভালো হলো না!
শামীম এলাকার গুন্ডা!
আগে সিগারেটের পুটকি টোকাইয়া খাইতো!
এখন খায় বেনসন!
শামীম এর নাম শুনলে সে নিজেই,
তার প্যান্টে হিসু করে দেয়!
শামীম মানেই যে মানুষকে
ইট দিয়ে দৌড়ানি দেয়!
শামীম মানে যার পিছে
ছেলেরা ঘুরে 😝
শামীম মানে যে কথা বললে
মুখ দিয়ে থুথু বের হয়।
কবিতা: শামীম বদলে গেছে
( সমাপ্ত)
গল্প: ০৬
ছ্যকাখোর শামীম
শামীম এখন টাইগারকে পানির সাথে মিশিয়ে খাচ্ছে। এমন ভাব নিচ্ছে যেন মদ খাচ্ছে।
আমি বললাম, কি হয়েছে?
শামীম বলল, মদ খাওয়ার টাকা নাই। তাই টাইগারকেই মদ বানিয়ে খাই। দোস্ত! আমি ছ্যাকা খেয়ে ব্যকা হয়েছি।
আমি বললাম, এবার কে ছ্যাকা দিল?
শামীম বলল, কাজের ছ্যাড়ি জড়িনা আক্তার। ওই এখন আর আমগো বাসায় কাম করতে আসে না।
আমি বললাম, তা! আর কাউরে পাই না।
শামীম বলল, দোস্ত! আমি গলায় ফাস দিব।
কথাটা বলেই শামীম বাড়ির পেছনের কচুগাছে গিয়ে ফাসি দিল।
(সমাপ্ত)
গল্প: ০৭
মেয়েটা শামীমকে বলল, আমি কি তোমায় চুৃমু খেতে পারি?
শামীম: না।
মেয়েটা মন খারাপ করে বলল, কেন?
শামীম যা বলল, তা শুনে মেয়েটা বেহুশ।
শামীম বলল, কারন আমি ৩দিন ধরে দাত ব্লাশ করি না।🤣🤣🤣🤣
(ফানি পোস্ট)
রুদ্র সিয়াম
গল্প: ০৮
একটি ভয়ংকর ভুতের গল্প
সেবার আমি আর শামীম মিলে গিয়েছিলাম একটি ভুতের বাড়িতে। পুরান ঢাকার এক রাজার আমলের বাড়িটি সম্পুর্ন নির্জন ও একা।
রাত ১২ টায় চা আর সিগারেট নিয়ে আমরা সেখানে প্রবেশ করলাম। আমি এমনিতেই ভীতু, সিগারেট খেলে ভয় কমে। শামীম অবশ্য সাহসী, তাই ওকে সঙ্গে নিলাম। আজ রাতটা সেখানে ভুত থাকলে সেখানে তার সাথে ছবি তুলবো।
এক তলায় একটা কাঠের ঘরে আমরা রইলাম। চারিদিক অন্ধকার। এর মাঝে আমি শামীম মোবাইল টিপছি। এদিকে শামীম শুরু হয়ে গেছে ওর গার্লফ্রেন্ড এর সাথে প্রেম।
রাত ১ টা বাজে। ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। উঠে দেখি শামীম নাই৷ আমি ভয় পেয়ে গেলাম। সারা ঘর খুজলাম। কোথায়ও নেই সে। তার মানে কি তাকে ভুত নিয়ে গেছে। হঠাৎ দেখি বাথরুম থেকে শব্দ হচ্ছে। আমি আস্তে আস্তে সেখানে এগিয়ে গেলাম। দেখি শামীম দাড়িয়ে প্রশ্রাব করছে।
আমি: দুর বেটা। তুই টয়লেটে আগে বলবি না?
শামীম: তুই ঘুমাইয়া আসিলি। কেমনে কমু?
পরে আমরা দুজন যখন ঘরের কাছে আসবো। তখনই দেখি বটগাছে কে যেন বসে আছে। একটা মেয়ে। শাদা শাড়ি পড়া। আমি তখনই দৌড় দিলাম।
শামীম তখনও খেয়াল করে নাই৷ পরে খেয়াল করলো আর ভয়ে দৌড় দিল। কিছুক্ষণ পর রাস্তায় এসে পড়লাম।
আমি: আরে ওটা মনে হয় না ভুত না। ভুত কি কখনও শাড়ি পড়ে?
শামীম: আসলেই তো? ভুত তো শুনেছি ন্যাংটা থাকে। চল গিয়ে দেখি ওটা কে?
পরে আবার ফিরে এসে আমরা কাউকেই দেখতে পেলাম না।
রাত ৩টা বাজে। আমি ভয়ে ঘুমাইনি। শামিম নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে। আমার লেগেছে টয়লেট।
আমি শামীমকে ডাক দিলাম। শামীম ভয় পেয়ে লাফিয়ে উঠলো।
শামীম: ভুত। ভুত৷ বাচাও। বাচাও।
আমি: আরে ভুত না। বাল। আমি।
শামীম: ওহ। আমি ভাবছি মনে হয় ভুত।
পরে আমি আর শামীম মিলে টয়লেটে আসলাম। দেখি টয়লেটে পানি শেষ।
সকাল হয়ে গেছে। দেখি শামীম নেই। ঘড়িতে ৭টা বাজে। চারিদিক ফর্সা হয়ে গেছে। শামীম কি আমাকে একা রেখে চলে গেল?
আমি তাকে কল করলাম। শামীম ফোন ধরে যা বলল। তা শুনে আই এম তো অবাক।
শামীম: সরি। দোস্ত। গতকাল রাতে আমি আসতে পারিনি। আমার গার্লফ্রেন্ড এর বাসায় গিয়েছিলাম তাই।
এখন কত হচ্ছে। তা হলে গতরাতে আমার সাথে কে ছিল?
( a story by rudro siyam)
গল্প: ০৯
আমার বন্ধু শামীমের একটা বদ অভ্যাস আছে। শামীম সারাক্ষণ নাকের ময়লা বের করে। তারপর সেগুলো মুখে নিয়ে খেয়ে ফেলে।
ওর চায়ে যদি দুধ কম হয়, তাহলে নাকের সর্দি ফেলে চায়ে মিশিয়ে খায়। ওর আরেকটা বদ অভ্যাস। যখন তখন ও বোমা মারে। মানে সেখানে সেখানে পাদ মারে। একবার বাসে একটা মেয়ে তার সাথে বসেছিল। শামীম সেই মেয়েটিকে পাদ মেরে উড়িয়ে দেয়। 🤣🤣🤣
# ফানি জোকস
গল্প: ১০
শামীম বলল, হুজুর ছ্যকা খাইসি। মেয়ে পটানোর তাবিজ দেন।
হুজুর বললেন, তুই ছ্যাকা কেন খাবি? আমাকে ক। তুই ছ্যাক দিবি। দুনিয়াতে চাইরডা বিয়া। জান্নাতে আছে তোর বাহাত্তর টা হুর৷ কোন কোন রেয়াতে আছে পাচ হাজার। কোন কোন রেওয়াতে আছে দশহাজার। তো, তুই ছ্যাক খাস কেরে?
এসব শোনার পর শামীম আর ছ্যকা খায় না। এখন সে প্লেবয়। মেয়েদের ছ্যকা দিয়ে দেয়।
(ফানি পোস্ট)
(Rudro Siyam Funny post)
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন