সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বাসর রাতের গল্প/ রোমান্টিক প্রেমের গল্প/ Rudro Siyam

সুনেরাহ: এই শোনো! আজ আমাদের বাসর রাত আর তুমি এভাবে নাক ডেকে ঘুমাচ্ছো কেন? ওঠো। গল্প করি।


রুদ্র: ঘুমাতে দাও তো! গত দুইদিন ধরে বিয়ে ঝামেলায় ঘুমাতে পারি নাই। এখন একটু ঘুমাই। সকালে কথা হবে। 


সুনেরাহ: উঠবা ঘুম থেকে? কি জামাই বিয়ে করসি একদম আনরোমান্টিক। বাসররাতে কি করে তুমি জানো না? 


রুদ্র: কি করে? আমি তো আসলেই জানি না। তুমি বলো। আমি ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে শুনছি।


সুনেরাহ: এখন কিন্তু মেজাজ খারাপ হচ্ছে। উঠো বলছি না হলে পানি ঢেলে দিব তোমার গায়ে।


রুদ্র: একটু শান্তিতে ঘুমাতে দাও। আজীবন পড়ে আছে গল্প করার। তখন না হয় গল্প করব।


সুনেরাহ: জানো আমার কয়টা এক্স ছিল? ওরা অনেক রোমান্টিক ছিল। রাতের বেলা রোমান্টিক রোমান্টিক কথা বলতাম আমরা। কি যে মজা হতো। 


রুদ্র: তাহলে এখন তোমার এক্সকে ফোন দিয়ে কথা বলো। তাও আমাকে বিরক্ত করো না। প্লিজ। তোমার পায়ে পড়ি।


সুনেরাহ: ছি: ছি: আপনি আমার প্রেরের সায়ামি।  আপনি কেন আমার পা ধরবেন? ধরলে তো আমি আপনার টা ধরবো।


রুদ্র : কি ধরবা আমার?  হু? রাইত হইসে ঘুমাও তো। 


সুনেরাহ: বুঝো না তুমি? আমার বাসর রাত মাটি করতেছো কেন? একটু গল্প ই তো করতে চাই।


রুদ্র: তোমার বিরক্ত করাতে আর ঘুমাতে পারলাম না। দাও সিগারেট টা খাই। তারপর গল্প শুরু করো। 


সুনেরাহ : না। না। এখন তো আমি কোন গল্পই বলবো না। তুমি ঘুমাও। আমিও ঘুমাও।


রুদ্র : আহ। এইটা কি হলো? একটু আগে না বললা গল্প বলবা। এখন আবার তোমার কি হলো? আমার ঘুম নষ্ট করে এখন তুমি ঘুমাবে কেন?


সুনেরাহ: আমি তো ঘুৃমালাম কাথা গায় দিয়ে তুমি জেগে জেগে মশা মারো। (মিষ্টি হাসি দিবে)


রুদ্র: এইরকম বউ যাতে কারো ভাগ্যে না জুটে এই দোয়া করি।


সুনেরাহ: কিছু বললা তুমি?


রুদ্র : না। না। আমি আবার কি বলবো? আমার কোন লাইফ নাই। আমার লাইফটাই লস।


সুনেরাহ: কি হলো তোমার হঠাৎ এতো উদাস হয়ে গেলে কেন? কাছে আসো আমার বুকে মাথা রেখো।


রুদ্র: তোমাকে জড়িয়ে ধরে থাকতে ভালো লাগছে। আমার কোলবালিশ এর থেকে ও নরম তোমার শরীর। একদম তুলতুলে। 


সুনেরাহ: আমার শরীর ও মন তো শুধু তোমার জন্যই। তোমার ইচ্ছে হলে আমার ঠোঁটে চুমু ও দিতে পারো?


রুদ্র: সত্যি বলছো? আচ্ছা। চেষ্টা করি। উম্মাহ।


সুনেরাহ: উম্মাহ। 


রুদ্র: আমার কেন জানি খুব লজ্জা লজ্জা লাগছে৷ আমি খেলুম না। আমার শরম করে।


সুনেরাহ: এহেহে। আমার শরমের জামাই ডা। হইসে আর ঢং করতে হবে না।


রুদ্র: ওই তোমার এই গরমে কিভাবে শাড়ি পড়ে আছো। খুলে ফেলো।


সুনেরাহ: না। খুলবো না।


রুদ্র: না বলছো কেন? না শব্দটা আমার পছন্দ না। তুমি না খুললে আমি জোর করে ছিড়ে ফেলবো ইমরান হাসমির মতো।


সুনেরাহ: লুইচ্চা কোথাকার।


রুদ্র: আজকে আমি ইমরান হাসমি হবো আর তুমি সানি লিওন হবে। তারপর দুজনে মিলে রোমান্স করবো।


সুনেরাহ: রোমান্স কিভাবে করে আমি তো জানি না।


রুদ্র: সমস্যা নেই। আমি তোমাকে সব শিখিয়ে দিব। তোমার শাড়ি খুলো।  এইতো গুড ভেরী গুড। এখন লাল ব্লাউজটা ও খুলো। 


সুনেরাহ: উফ। আমার অনেক লজ্জা লাগছে। 


রুদ্র: স্বামীর কাছে আবার কিসের লজ্জা। আর তোমার ওপর তো শুধু আমার ই অধিকার। ওয়াও তোমার বুকে তীল। যা তোমাকে সুন্দর লাগছে। 


সুনেরাহ: যা দুষ্ট কোথাকার। 


রুদ্র: কাছে আসো। তোমাকে আদর করবো। তোমাকে আমি ভালোবাসবো। কি হলো দৌড় দিলে কেন?


সুনেরাহ: পারলে আমাকে ধরো।  হা হা হা।


রুদ্র : দৌড়াচ্ছো কেন? এটা কি কোন মুভি যে রোমান্স করতে চাইলে দৌড় দিবা। তারপর দৌড়াদৌড়ির পর রোমান্স হবে৷ 


সুনেরাহ : হুহ। আমাকে পেতে হলে তোমাকে এভাবেই দৌড়ে ধরতে হবে। কাছে আসবে না আমার। কাছে আসলে আমার হাতে বাটি তোমার মাথায় মারবো। এই নাও।


রুদ্র: উফ আহ। অনেক জোরে ব্যথা পেয়েছি। 


সুনেরাহ: ও নো। সরি। আমি বুঝতে পারিনি। তোমার কপাল ফেটে দেখি রক্ত বের হচ্ছে। 



রুদ্র: এবার তোমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছি। এবার তুমি কোথায় পালাবে? 


সুনেরাহ: ছাড়ো। লুইচ্চা বেডা কোথাকার। 


রুদ্র: তোমাকে নিয়ে এখন আমি রোমান্স করব। এই নাও তোমার ঠোঁটে চুমু খেলাম। উম্মাহ। এবার তোমার ঘাড়ে চুৃুমু খেলাম। উম্মাহ।


সুনেরাহ: এই কি করছো। ছাড়ো তো ছাড়ো। 


রুদ্র: বাসর রাতে তো স্বামী স্ত্রী এসবই করে। আর আমরা তো করতেই পারি।


সুনেরাহ: এটা যেহেতু আমার প্রথমবার তাই আমার অনেক লজ্জা লাগছে।


রুদ্র: আমি তোমাকে এরকম ভাবে ভালোবাসা দিব। তোমার লজ্জা শরম সব দুর হয়ে যাবে। 


আমি আস্তে আস্তে তার সব জামা কামড় খুলে ফেললাম। সেও আমার সব জামা কাপড় খুলে ফেলল। তারপর দুজনে মিলিত হলাম।


কিছুক্ষণ পর সুনেরাহ ওয়াশরুম থেকে বের হলো। 


রুদ্র: তোমাকে যা লাগছে না। পুরোই পরীর মতো সুন্দর। উফস।


সুনেরাহ: হইসে। আর পাম দিতে হবে না্ যাও। তুমিও গোসল করে আসো। 


রুদ্র: খেলাধুলার পর কেন জানি আমার শরীর খুব ক্লান্ত লাগছে সব এনার্জি শেষ আমার। 


সুনেরাহ : দুধ খাও সব ঠিক হয়ে যাবে।


রাত ৩ টা বাজে। রুদ্র আর সুনেরাহ শুয়ে আছে।


রুদ্র: ওই। চলো। আরেক রাউন্ড খেলি। একবার করলে বাঘে খায়। জানো না। দুইবার করলে সন্ন পায়।


সুনেরাহ: এসব কুসংস্কার কথা। তুমি এগুলো বিশ্বাস করো কেন? আর রাত হইসে ঘুমাবো৷ 


রুদ্র: না প্লিজ চলো আরেকবার খেলি। খেলতে না দিলে এহন আমি কান্দুম।


সুনেরাহ: আচ্ছা। তাহলে কান্না করতে থাকো। তাও আমি খেলতে দিব না।


রুদ্র: খেলতে না দিলে আমি জোর করে খেলবো। তখন বুঝবা।


সুনেরাহ: আরে মজা করছিলাম। তো শুরু করো। 


আমি তার ঠোঁটে চুমু খেতে লাগলাম। সেও আমাকে চুমু খাচ্ছে। দুজনই উত্তেজিত হয়ে গেছি। সে উত্তেজিত হয়ে আমাকে খাট থেকেই ধাক্কা মেরে ফেলে দিল।


রুদ্র: এতো জোরে কি কেউ ধাক্কা দেয়। মনে হয় আমার পিঠ ভেঙ্গে গেছে।


সুনেরাহ: হা হা হা হা। এসব বুঝো ঠ্যলা। বউরে বিরক্ত করার শাস্তি। এখন কিভাবে ফেলবা। মিস্টার আবুল।


রুদ্র: জামাইরে কেউ আবুল বলে? কোন মেয়ের পাল্লায় পড়লাম। আমায় উঠায় নাও খাটে। 


সুনেরাহ আমাকে কোলে করে খাটে তুলল। 


সুনেরাহ: সবসময় জামাই ই বউকে কোলে নেয়। বাট এবার আমি তোমাকে কোলে নিলাম। 


রুদ্র: হ্যা। আমাদের তো সব কিছুই উল্টা পাল্টা। 


সুনেরাহ: হা হা হা হা।


রুদ্র: হু হু হু।


(সমাপ্ত)

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

পিচ্চি বউ - পর্ব ২৯

 আমি জেরিনকে বললাম, আবারো তুমি প্যন্টে হিসু করে দিয়েছো?  জেরিন ঘুমঘুম চোখে বলল, এটা হিসু না। লাইট অন করেন। আমি লাইট অন করলাম। আর অবাক হয়ে তার সাদা পাজামার দিকে তাকালাম। তার সাদা পাজামা পুরো লাল হয়ে আছে। আমার  আন্ডারওয়ারেও কিছু লাল দাগ লেগেছে।  আমি ভয়ে আতংকিত হয়ে জেরিনের গালে দুহাত হাত রেখে  বললাম , ও মাই গড। তোমার রক্ত বের হচ্ছে কেন? জেরিন বলল, এমন নাটক করতাসেন কেন? ড্রয়ার থেকে প্যাড এনে দেন।  আমি ড্রয়ার থেকে প্যাড এনে দিলাম।  আমি বললাম, তোমার কি কোথাও কেটে গেছে। না হলে রক্ত বের হচ্ছে কেন? জেরিন রেগে বলল, ফাজিল কোথাকার বুঝেন না আমার পিরিয়ড হচ্ছে। এই কথা শুনে আমি জেরিনকে জড়িয়ে ধরলাম। তারপর কানে কানে বললাম, তোমার কি খুব কষ্ট হচ্ছে? পেট ব্যথা করছে?  <amp-auto-ads type="adsense"         data-ad-client="ca-pub-9645388120151436"> </amp-auto-ads> এদিকে জেরিন দেখি খুব নরমাল আছে। যেন কিছুই হচ্ছে না তার। ইরা যখন বলেছিল তার মিন্স হচ্ছে। তখনই ইন্টারনেটে সার্চ দিয়েছিলাম যে মিন্স হলে মেয়েদের কেমন ফিল হয়। সেখানে পড়লাম মিন্স হলে মে...

খালাতো বোনের সাথে প্রেম / রোমান্টিক প্রেমের গল্প / Rudro Siyam

মা যখন বললেন যে আমার বিয়ে হবে আমার খালাতো বোনের সাথে। সে কথা শুনেই আমি ভয়ে বাসে করে কক্সবাজার চলে আসলাম। এখানে একটি হোটেলে উঠেছি নিজেকে লুকিয়ে রাখার জন্য।  আমাকে পেলেই মা-খালা মিলে বিয়ে দিয়ে দিবে। তাই কয়েকদিন লুকিয়ে থাকি। যখন সুরভীর বিয়ে হয়ে যাবে। তখন আমি আবার বাড়ি চলে যাবো। হ্যা! সুরভী ই আমার খালাতো বোনের নাম। এবার ক্লাস টেনে উঠেছে আর তাকে বিয়ে দিয়ে আমার ঘাড়ে চাপানোর প্লান করছে আমার মা আর খালা।  হোটেল রুমে ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ কলিংবেলের শব্দে তড়াক করে উঠে। দরজা খুলতেই দেখি একটা ফুলের তোড়া হাতে কে যেন দাড়িয়ে আছে। ফুলটার গন্ধ নিতেই আমি অজ্ঞান হয়ে গেলাম। জ্ঞান ফিরলে দেখি আমার হাত,পা বাধা করে আমাকে গাড়িতে করে কোথায়ও যেন নিজে যাওয়া হচ্ছে। তার মানে কি আমাকে কিডন্যাপ করা হয়েছে। গাড়ি যে চালাচ্ছে। সে রাকিব। আমার বন্ধু! রাকিব: দোস্ত! টেনসন করিস না! লাইফে একবার না। একবার তো বিয়ে করতেই হবে। বিয়ে থেকে পালালে হবে?  আমাদের ধর্মে তো বিয়ে করা ফরজ। তাহলে তুই পালিয়ে বেড়াচ্ছিছ কেন? আমি: তুই কিভাবে জানলি যে আমি কক্সবাজারের হোটেলে আছি? তোকে কে খবর দিল? রাকিব: আরে! বেটা! এখন ইন্টারনেটের যুগ। তুই...

প্লেবয় লাভ স্টোরী) রোমান্টিক প্রেমের গল্প/ রুদ্র সিয়াম

শামীম: রুদ্র। তুই একটা প্লেবয়। তুই এতো মেয়েকে কিভাবে পটিয়ে ফেলিস বুঝি না। যেখানে আমাকে কোন মেয়েই পাট্টা দেয় না। দোস্ত। মেয়ে পটানোর টিপস গুলো আমাকে একটু বল। আমিও তোর মতো প্লে বয় হতে চাই। আমি মোবাইলের স্ক্রিন থেকে চোখ সড়িয়ে তাকালাম শামীমের দিকে। বেচারা এতোবার রিজেক্ট খেয়েছে। এখন আমার কাছ থেকে মেয়ে পটানো শিখতে চায়। আমি: দেখ একটা মেয়ের পেছনে কম হলেও ৪/৫ টা ছেলে ঘোরে। এখন যদি তুইও ঘুরিস। তাহলে সেই ৪টা ছেলে আর তোর মধ্যে কি তফাত থাকলো? তোকে হতে হবে স্পেশাল। তাহলেই দেখবি মেয়েরা তোর প্রতি আগ্রহ দেখাবে আর তোর পেছন পেছন ঘুরবে। বুঝলি? শামীম: আচ্ছা। চেষ্টা করে দেখব। আর কোন টিপস নাই।  আমি: মেয়েদের পাট্টা দিবি না। তাহলে মেয়েরা তোকে পাট্টা দিবে। যত সুন্দর মেয়েই হোক। এমন ভান করবি তোর সামনে কিছুই না। শামীম: কিন্তু আমার তো মেয়েদের সামনে গেলেই হাত পা কাপে। আর টয়লেট লাগে বার বার।  আমি: এরকম হলে তুই কখনই মেয়ে পটাতে পারবি না। আজীবন সিঙেল ই থাকবি। এরকম সময় আমাকে সুনেরাহ কল দিল। আমি কল রিসিভ করলাম। আমি: (ধমক দিয়ে) এই সময়ে কল দিয়েছো কেন? জানো না আমি ব্যস্ত থাকি। তোমাকে বলেছি রাত ১২ টার পর কল দিবা। কত ম...